উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টিতে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে দেখা দিয়েছে বন্যা। এসমস্ত জায়গায় তিস্তার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও পানীয় জলের অভাব। হুমকির মুখে পড়েছে কয়েকটি বাঁধ।
এদিকে, নীলফামারীতে তিস্তার পানি কমতে শুরু করলেও এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উজানের ঢল ও ভারি বর্ষণে কুড়িগ্রামের ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বেড়েছে। ফলে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চলের শতাধিক চর ও দ্বীপচর। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অর্ধ লাখ মানুষ।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ৫৯ সেন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৫১ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ৪৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে, কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি অপরিবর্তিত রয়েছে।
বন্যা অবস্থার পরিবর্তন হয়নি লালমনিরহাটেও। ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। তলিয়ে গেছে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়নের বাড়িঘর। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে পাঁচশরও বেশি পরিবার।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যারাজের সবকটি স্লুইট গেইট খুলে রেখে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং নদীর তীরবর্তী এলাকায় জারি করা হয়েছে।