পদ্মার ভাঙ্গন আর তীব্র স্রোতের কারণে মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটের ফেরি চলাচল সীমিত হয়ে গেছে। যানবাহনগুলো ৩টি কেটাইপ ফেরি দিয়ে কোনো রকমে পার হচ্ছে। তীব্র স্রোতের কারণে ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচলও। ঘাটের সংযোগ সড়কটি স্থানান্তর না হওয়ায় অনেক ফেরিই চলাচল করতে পারছে না। ফলে দুই পাড়েই সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট।
গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পদ্মার আকস্মিক ভাঙ্গনে মাওয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটের সংযোগ সড়কসহ কয়েকটি স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
এতে ৩ নম্বর রো রো ফেরিঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। নয়টার দিকে এ রুটে ফেরিসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডাব্লিউটিএ ও বিআইডাব্লিউটিসি।
পরদিন থেকে ফেরি চলাচল শুরু হলেও তীব্র স্রোতের কারণে একটি ফেরি পার হতেই লাগছে তিন ঘন্টারও বেশি সময়।
৩ নম্বর ফেরিঘাটের সংযোগ সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় ৩টি রোরো ফেরি ও ৮টি ডাম্ব ফেরিসহ অধিকাংশ ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে মাত্র ৩টি কে-টাইপ ফেরি চলাচল করছে।
এগুলো চলাচলের জন্য পদ্মার মাওয়া-চরজানাজাত অংশে নতুন করে একটি টাগ জাহাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, হঠাৎ করে মাওয়া অংশের লৌহজং টার্নিং- এ ডুবোচর দেখা দেয়ায়, ফেরিগুলোকে উজানের বদলে এগুতে হচ্ছে ভাটি দিয়ে। আর এতে তীব্র স্রোতের কবলে পড়তে হচ্ছে ফেরিগুলোকে। এ অবস্থায় প্রতিটি ফেরি পারাপারে আড়াই থেকে ৩ গুণ সময় লাগছে।
মাওয়া ও কাওড়াকান্দি ঘাটের দুই পাশে তীব্র যানজট লেগেই আছে। কাওড়াকান্দি ঘাটে আটকা পড়েছে পাঁচশরও বেশি যানবাহন।