টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রসহ নদ-নদীর পানি বেড়ে আজও বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ডপয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে দেশের বিভিন্ন এলাকা। পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে রয়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও পানীয় জলের অভাব।
এদিকে লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে নদ-নদীর পানি।
কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি বাড়ছে, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। ধরলার পানি সামান্য কমলেও কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বেড়েছে ১৬ সেন্টিমিটার।
এসব এলাকার প্রায় ৫০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে রয়েছেন। দেখা দিয়েছে খাদ্য, পানীয় জল ও ওষুধের সঙ্কট। এরই মধ্যেই দুর্গতদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে ৬০ মেট্রিকটন চাল ও নগদ ৭০ হাজার টাকা।
অবনতি হয়েছে জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতির। বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনার বিপদসীমার ৩৬ সেন্টিমাটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চার উপজেলার ২০ ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বরাদ্দ করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা ও ২৪ মেট্রিকটন চাল।
লালমনিরহাটে হাতিবান্ধায় তিস্তা ব্যারেজে পানি বিপদসীমার দুই সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কমতে শুরু করেছে নিম্নাঞ্চলের পানি।
গাইবান্ধায় ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, তিস্তা ও করতোয়ার পানি এখনও রয়েছে বিপদসীমার নীচে।