টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রসহ নদ-নদীর পানি বাড়ায় রোববারও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দেখা দেয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বন্যা কবলিত এলাকার হাজার হাজার মানুষ।
মন্সীগঞ্জের পদ্মা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী কমপক্ষে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর পানি বেড়ে তিনটি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত।
তীব্র স্রোতে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধের কিছু অংশে ভাঙ্গন দেখা দিলে জিও ব্যাগ ফেলে তা ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
এছাড়া, অপরিবর্তিত রয়েছে জামালপুরের কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি। কুড়িগ্রামের চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে। ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি।
গাইবান্ধায় অন্যান্য নদীর পানি কমতে শুরু করলেও বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ঘাঘট নদীর পানি।
এদিকে, বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে লালমনিরহাটে। তবে নদীতে তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।