পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রসহ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি ও টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে মাদারীপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটসহ বেশ কয়েকটি জেলায়। এসব জেলায় বন্যার পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্যের সংকট। ফলে চরম দুর্ভোগে পরেছে বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ।
কুড়িগ্রামের চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃদ্ধি পেয়েছে ধরলা ও তিস্তার নদীর পানি। চিলমারী , রাজিবপুর, উলিপুর ও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ৩৮টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। এনিয়ে জেলার প্রায় দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পরেছে।
এসব এলাকায় সরকারী ত্রাণ পৌছালেও তা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য বলে জানিয়েছেন বন্যা কবলিত মানুষ।
লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারেজে পানি বিপদ সীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার হাতীবান্ধা, কালিগঞ্জ, আদিতমারী ও লালমনিরহাট সদরের ২৫টি গ্রাম প্লাবিত পানি বন্দি হয়ে পরেছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ।
হুমকির মুখে রয়েছে জেলার কয়েকটি বাঁধ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
মাদারীপুরে পদ্মা নদীর পানি বিপদ সীমার ২২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীভাঙ্গন বেড়ে যাওয়ায় হুমকির মুখে পরেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ শত শত ঘর-বাড়ি।
মুন্সীগঞ্জে পদ্মার পানি বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অব্যহত রয়েছে নদী ভাঙ্গন।