দেশের কয়েকটি জায়গা ছাড়া অধিকাংশ জেলায়ই বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। অব্যাহতভাবে পদ্মার পানি বাড়ায় শরীয়তপুর, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জসহ নদী তীরবর্তী জেলাগুলোতে চলছে ভাঙন। পানিবন্দি রয়েছে নিম্মাঞ্চল। ২৪ ঘণ্টায় ভাগ্যকুল পয়েন্টে পানি বেড়েছে ১০ সেন্টিমিটার।
এদিকে, যমুনার পানি বাড়ায় রোববার সকালে কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে শিবেরডাংগী এলাকায় ভেঙে গেছে ১০০ মিটার সড়ক। এতে বন্ধ রয়েছে রৌমারী-ঢাকা রুটে যান চলাচল। পানিবন্দি রয়েছে ৯ উপজেলার তিন লাখ মানুষ। চিলমারী পয়েন্টে পানি ১৯ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ২১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্র। এছাড়া, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, জামালপুর, গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।
অব্যাহতভাবে পদ্মার পানি বাড়ায় অপরিবর্তিত রয়েছে মুন্সীগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি রয়েছে জেলার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাগ্যকুল পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে এখন বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মার পানি।
যমুনার পানি বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় টাঙ্গাইলে ৬ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। অব্যাহত নদী ভাঙনে হুমকির মুখে রয়েছে ভুয়াপুরের গোবিন্দাসী গুরুর হাট, পিংনা-যোকারচর বাঁধসহ বেশ কিছু স্থাপনা।
বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জে। এসব জেলার পাশাপাশি চাঁদপুর, শরীয়তপুর, মাদারীপুরে পানিতে নিমজ্জিত আছে নিম্মাঞ্চলসমূহ।
বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠন। তবে তা খবুই অপ্রতুল। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে নানা পানিবাহিত রোগ।