দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। অধিকাংশ নদ-নদীর পানি কমে বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি কমতে শুরু করায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন।
বন্যার পাশাপাশি নদীভাঙ্গনের শিকার শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও চাঁদপুর জেলা। নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে নদীপাড়ের বসত বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, ফসলি জমি।
ভাঙ্গনের শিকার হয়ে অনেকই আশ্রয় নিয়েছে সড়ক বা বাঁধের ওপর। খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিনযাপন করছেন তারা। দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সঙ্কট।
পদ্মার অব্যাহত ভাঙ্গনের মুখেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীপাড়ে বসবাস করছিলেন শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ। তবে গত ২০ দিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে মোল্লাকান্দি, টুমচর, সিকদারকান্দিসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম। বসত বাড়ি, কৃষি জমি হারিয়ে সর্বহারা হয়েছেন এসব গ্রামের শতাধিক পরিবার।
ভাঙ্গন কবলিতদের সহায়তা করতে জনপ্রতিনিধিদের অনুরোধ জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে মাদারীপুরেরও। জেলার শিবচরের প্রায় ১৭টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পুরো এলাকাজুড়ে দেখা দিয়েছে ভাঙন আতঙ্ক।
এদিকে, নদী ভাঙ্গনের শিকার চাঁদপুরবাসী। জেলার শহর রক্ষা বাঁধের নতুনবাজার অংশের ৬০ মিটার এলাকায় ধ্বস শুরু করেছে।
এদিকে, জেলা প্রশাসন ‘মোল হেড’ নামে পরিচিত শহরের ওই এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে সেখানে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।