দেশের প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি কমতে থাকায় সারাদেশে বন্যা পরিস্থির উন্নতি হচ্ছে। তবে নদ-নদীর পানি ১০টি পয়েন্টে এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া, জামালপুরে যমুনার পানি বেড়ে বেশ কিছু এলাকা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।
এছাড়া, কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বানভাসীদের অনেকেই ঘরে ফিরতে শুরু করছে। তবে নিম্নাঞ্চল ও চরের প্রায় পঞ্চাশ হাজার বানভাসী মানুষ এখনও ঘরে ফিরতে পারেননি। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জল ও খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। বেড়েছে পানিবাহিত রোগ।
জামালপুরে যমুনার পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়ে যাওয়ায় সদর উপজেলার তুলশীরচর, লক্ষ্মীরচর, কেন্দুয়াসহ কয়েকটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।
এদিকে, জেলার বন্যা দুর্গত এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। চিকিৎসা সেবা দিতে কাজ করছে ৭৮টি মেডিকেল টিম।
মাদারীপুরে পদ্মার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় অব্যাহত রয়েছে নদী ভাঙন। ভাঙন দেখা দিয়েছে আড়িয়াল খাঁ নদীতীরবর্তী এলাকাতেও।
মুন্সীগঞ্জের পদ্মার পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে ভাগ্যকুল পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মাওয়া ফেরিঘাটসহ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীর তীরবর্তী কয়েকটি গ্রাম।
এদিকে, পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্রসহ দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি কমলেও যমুনা, গুর, আত্রাই, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা, তুরাগসহ দশটি নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তবে সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, টাঙ্গাইল , ফরিদপুর, রাজবাড়ীসহ নয় জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।