দেশের বন্যা দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব দেখা দিয়েছে ডায়রিয়া, আমাশয়সহ পানিবাহিত নানা রোগ। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করছে মেডিকেল টিম। ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন, যদিও তা অপ্রতুল। এদিকে, দেশের ছোট-বড় সব নদ-নদীর পানি কমা অব্যাহত থাকায় বেশিরভাগ এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হয়েছে।
গত ৭২ ঘণ্টায় যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, পদ্মাসহ দেশের ছোট-বড় নদ-নদীগুলোর পানি কমা অব্যাহত রয়েছে। ফলে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হয়েছে। তবে ৫টি পয়েন্টে এখনো নদ-নদীর পানি বিপদসীমার কিছুটা উপর দিয়ে বইছে।
বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জামালপুর, কুড়িগ্রাম, টাঙ্গাইল, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, রাজবাড়ি, মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের নদীবিধৌত এলাকা। বন্যার শুরু থেকেই এসব এলাকায় দেখা দেয় খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকট।
ডায়রিয়া, আমাশয়সহ নানা পানিবাহিত রোগে দুই সপ্তাহে শুধু কুড়িগ্রামেই পানিবাহিত রোগে পাঁচশরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে।
এদিকে, পানি নেমে যাওয়ার পর থেকেই বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে চলছে নদী ভাঙন। ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে হুমকির মুখে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের সাহেবচরসহ আশপাশের এলাকা।
কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে বিলীন হতে বসেছে বরিশালের চরবাড়িয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ।