দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধের পর নরসিংদীর পলাশ ও ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানায় পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। চালু হওয়ায় খুশি কারখানার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকরা। কারখানা দুটি উৎপাদনে যাওয়ায় সার আমদানিতে খরচ হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ, সাশ্রয় হবে বলে মনে করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। তবে এতো দিন বন্ধ থাকার কারণে এখন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশয় প্রকাশ করেছেন তারা।
স্থবির কারখানা দুটি আবারো প্রাণের স্পন্দন ছয় মাস পর ফিরে পেয়েছে। গুটি গুটি সাদা দানায় উৎপাদন হচ্ছে ইউরিয়া সার। এ সাদা দানাতেই লুকিয়ে আছে কৃষক-শ্রমিকের স্বপ্ন।
টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপের সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৬ মার্চ থেকে কারাখানা দুটিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয় পেট্রোবাংলা। এক সেপ্টেম্বর গ্যাস সংযোগ পাওয়ায় আবারো কারখানা দুটির উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। অনেকদিন বন্ধ থাকায় বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলেও কারখানা চালু হওয়ায় খুশি শ্রমিকরা।
এতো দিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান নরসিংদীর পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার সিবিএয়ের সভাপতি হুমায়ুন কবির। একই কথা জানান ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানার সিবিএ নেতা শামসুল আলম।
এদিকে, পুনরায় চালু হলেও চলতি অর্থবছরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশয় প্রকাশ করেছেন ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আলী আক্কাছ।