আখের ফলন বাড়লেও রোগ ও পোকার আক্রমণে ভোলার আখ চাষীরা লোকসানের মুখে পড়েছেন। বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় উৎপাদন খরচ পুষিয়ে লাভ থাকবে কি-না? কীভাবে ঋণ পরিশোধ করবেন? তা নিয়ে চিন্তিত চাষীরা। কৃষিবিভাগও চাষীদের কোনো খোজ-খবর নেয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
গত বছরে কয়েক দফা প্লাবনের মুখে পড়েছেন ভোলার আখ চাষীরা। তাই সে ক্ষতি পুষিয়ে এবার আবারও নতুন করে লাভের আশায় আখ চাষ করেন তারা। তবে এবার যেন মরার উপর খারার ঘা, নতুন করে আখ চাষ করলেও সেখানে দেখা দিয়েছে লাল পঁচা, মাথা পঁচা, গোড়া পঁচাসহ নানা রোগ ও পোকার আক্রমন।
এতে ক্ষেতের আখ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আখ চাষ করলেও ফলন অনেকাংশে কমে যাওয়া উৎপাদন খরচ নিয়ে চিন্তিত চাষীরা।
তবে রোগ ও পোকার আক্রমণের বিষয়ে চাষীদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভোলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শস্য উৎপাদন বিশেষজ্ঞ দেব দুলাল ঢালী।
তিনি বলেন, ‘এ লাল পঁচা রোগের আক্রমন থেকে পরিত্রাণের জন্য আমরা কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।’
মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভোলায় প্রতিবছরই আখের ভালো ফলন হয়ে থাকে। এসব আখ ভোলার চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এ মৌসুমে জেলায় ৫২৮ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ হয়।