যশোরের মনিরামপুর উপজেলার আমিনপুর গ্রামে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ওসমান দফাদার (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
তবে পুলিশের দাবি সন্ত্রাসীদের গুলিতে ওসমান নিহত হয়েছেন।
রোববার ভোরে আমিনপুর গ্রামের কবরস্থানের পাশের এক বাগানে এ বন্দুকযুদ্ধর ঘটনা ঘটে। নিহত ওসমান মনিরামপুর উপজেলার হাসাডাঙ্গা গ্রামের আজিবর দফাদারের ছেলে।
মনিরামপুর থানার পুলিশের দাবি, গতকাল শনিবার দুপুরে মনিরামপুর উপজেলার ফকিররাস্তার মোড় বাজার থেকে ওসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওসমান স্বীকার করেন, তার কাছে অস্ত্র রয়েছে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নিয়ে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারে আমিনপুর কবরস্থানে যায়। অস্ত্র উদ্ধার করে ফেরার সময় ওসমানের কয়েকজন সহযোগী আচমকা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এর মধ্যে একটি গুলি ওসমানের শরীরে বিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি বন্দুক, দুটি গুলি ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মনিরামপুর থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করা হয়েছে।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খবির আহমেদ বলেন, সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করতে পুলিশ শটগানের গুলি ছুড়েছে। ওসমানের শরীরে যে গুলি বিদ্ধ হয়েছে, তা পুলিশের ছোড়া গুলি নয়। ওসমানের বিরুদ্ধে কেশবপুর ও মনিরামপুর থানায় ডাকাতির পাঁচটি ও চুরির দায়ে দুটি মামলা রয়েছে। ওসমান ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য বলেও ওসি দাবি করেন।