দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। হল দখল, আধিপত্য বিস্তারসহ নানা কারণে প্রায়ই সংঘর্ষ লেগে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে। আর তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ঘেরা এ ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের কাছেই এখন অনিরাপদ ও আতঙ্কের।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ এ ছয় বছরে ক্যাম্পাসটিতে এ ধরণের শতাধিক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ শিক্ষার্থী। আহত হয়েছেন একশোরও বেশি। হামলার শিকার হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও। এর জের ধরেই বন্ধ রয়েছে শাহ আমানত ও সোহরোওয়ার্দী হল।
চবির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফ বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে ছাত্র অসন্তোষ, ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ ইত্যাদি ঘটে থাকে। এগুলো আমরা চেষ্টা করা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।’
এদিকে, এ পরিস্থিতির জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করলেও কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করছে ছাত্র সংগঠনগুলো।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেদ চৌধুরী বলেন, ‘ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক শক্তি থাকুক, অগণতান্ত্রিক শক্তি যেন না থাকে যারা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী।’
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারো জ্ঞানচর্চার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসবে এমন প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের।