ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের একটি বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া দুই শিশু সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীর মৃতদেহের পরিচয় পেয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশ এখনও খুনের মোটিভ উদ্ধার করতে পারেনি।
দুই দিন পর মৃতদেহের পরিচয় পেয়েছে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্যমতে নিহতরা হলেন: সাজু আহমেদ ও তার স্ত্রী রাজিয়া। তাদের ৫ বছরের ছেলে ইমরান ও মেয়ে সানজিদা। নিহত সাজু আহমেদের ছোট ভাই তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।
পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তারা বলছেন, পলাতক অটোরিক্সাচালক রফিকে আটক পারলেই বেরিয়ে আসবে প্রকৃত খুনের ঘটনা। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির কেয়ারটেকারসহ ২ জনকে আটক করা হলেও উল্লেখযোগ্য কোন তথ্য দিতে পারেনি তারা।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরের কদমপুর এলাকার ছয়তলা ওই বাড়িটির দ্বিতীয় তলায় দুই মাস আগে ভাড়া নেয় একটি পরিবার। বুধবার সকালে ভাড়া নিতে এসে অনেক ডাকাডাকির পরও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় কেয়ারটেকার। পুলিশ এসে খাটের নিচ থেকে কার্পেটে ঢাকা অবস্থায় ৪ জনের লাশ উদ্ধার করে।
তবে, এটি একটি পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল বলে জানিয়েছেন, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার।
দুমাস আগে ভাড়া নিলেও তাদের সম্পর্কে তেমন কিছু জানেননা প্রতিবেশিরা। বেশির ভাগ সময়ই এই ফ্ল্যাটে তালা ঝুলতো বলে জিনিয়েছেন তারা। বাসা ভাড়া নিতে সহায়তা করে ছদ্ম নামধারী পতালক অটোরিক্সাচালক রফিক। তার আসল নাম নাম সুমন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।