চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কর্ণফুলি নদীর ৫২টি খালের মুখ ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ড্রেজিংয়ের ফলে শহরের জলাবদ্ধতা কমার পাশাপাশি দেশের বৃহত্তম এই বন্দরের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য আরো গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নদী দখলমুক্ত না করে শুধু ড্রেজিং করে উপকার নাও হতে পারে বলে আশঙ্কা এলাকাবাসীর।
বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে জলাবদ্ধতায় নাকাল চট্টগ্রাম নগরী। এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে কখনো কখনো হাঁটু থেকে কোমর পানিতে তলিয়ে যায় নগরীর নিম্নাঞ্চল। আর জোয়ারের পানিতে রোদের মধ্যেই জলজটে আটকে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
এদিকে, জলবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশনকে সহায়তা করতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে নৌ মন্ত্রণালয় ও বন্দর কর্তৃপক্ষ। কর্ণফুলি সংযুক্ত খালের মুখে ইতিমধ্যে ড্রেজিংয়ের কাজও শুরু হয়েছে।
এ কাজের জন্য দেশে প্রথমবারের মতো আনা হয়েছে অত্যাধুনিক মাল্টিপারপাস ড্রেজার বলে জানান নৌ-মন্ত্রী শাহজাহান খান।
ড্রেজিংয়ের ফলে জলাবদ্ধতা কমার পাশাপাশি কর্ণফুলি নদীও দুষণ থেকে রক্ষা পাবে বলে আশা করছেন চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ।
তবে নদী দখলমুক্ত না করা হলে শুধু ড্রেজিং করে খুব বেশি লাভ নাও হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজম নাসির উদ্দিন।