সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ চট্টগ্রাম, বরিশাল, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার লক্ষাধিক মুসলমান পালন করছে পবিত্র ঈদ উল আযহা। প্রতিবছরের মত এবারো ঈদের আনন্দ বিরাজ করছে শতাধিক গ্রামে। শনিবার সকালে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা। পরে দিয়েছেন পশুর কোরবানি।
সৌদি আরবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশের কয়েকটি জেলায় প্রতিবছরই শতাধিক গ্রামের মানুষ পালন করেন ঈদ উল আযহা। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শনিবারই কোরবানী ঈদ পালন করেন এসব গ্রামের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ৬০ টি গ্রামে পালিত হয় কোরবানীর ঈদ। চন্দনাইশের মমতাজিয়া দরবার শরিফের অনুসারী হিসেবে এসব গ্রামের মানুষ প্রতিবছর সৌদি আরব তথা মধ্য প্রাচ্যের সঙ্গে মিলে রেখে ঈদ পালন করে থাকেন।
বরিশালের জাহাগীরিয়া শাহসুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফের অনুসারী ২০ হাজার পরিবার পালন করেন ঈদ উল আযহা। সকালে ঈদের নামায শেষে কোরবানী করেন তারা।
চাঁদপুরের ৫ উপজেলার প্রায় ৫০টি গ্রামের পালিত হচ্ছে কোরবানীর ঈদ। হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর, শাহরাস্তি ও কচুয়া উপজেলার এসব গ্রামে প্রায় শত বছর ধরে এভাবে ঈদ পালিত হয়ে আসছে।
ভোলায় সাতকানিয়া ও সুরেশ্বরী পীর দরবারের অনুসারী ৭ হাজার মানুষ ঈদ পালন করছে। ঈদ উপলক্ষে ৫ উপজেলার ১২ গ্রামে বিরাজ করছে অনাবিল আনন্দ।
মাদারীপুরের ২০টি গ্রামে ঈদ উপলক্ষে পশু কোরবানী করা হয়েছে। এর আগে সকালে ঈদের নামায আদায় করেন সুরেশ্বরী পীর দরবারের অনুসারী ৩০ হাজার মানুষ।
পটুয়াখালীর ২২ গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পালন করছে কোরবানীর ঈদ। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালিত হচ্ছে দিনাজপুরের ৫ উপজেলার ৯টি গ্রামে।
এছাড়া, মুন্সীগঞ্জে ৭টি, লক্ষীপুরে ১০টি, শেরপুরে ৫টি, মৌলভীবাজারে একটি গ্রামে ত্যাগের মহিমায় পালিত হচ্ছে ঈদ উল আযহা। সকালে ঈদের নামায শেষে এসব গ্রামে পশু কোরবানি করা হয়েছে।