রাজধানীর পাশাপাশি বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় সারাদেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। বরাবরের মত এবারো দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত জামাতে লক্ষাধিক মুসল্লি অংশ নেয় এতে। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির শান্তির দোআ করা হয়। পরে সারাদেশে পশু করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে সারাদেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ উল আযহা। বরাবরের মত এবারো কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত। সকাল ৯টায় ঐতিহাসিক মাঠে ১৮৭তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জামাতে অংশ নেন লক্ষাধিক মুসল্লি। মহান আল্লাহর কাছে দেশ ও বিশ্ববাসীর শান্তি কামনা করেন।
জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের প্রধান ঈদ-জামাত। সিটি কর্পোরেশনের মেয়রসহ হাজারো মুসল্লি এতে অংশ নেন।
সিলেটে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী শাহী ঈদগাহ ময়দানে। এছাড়া, হযরত শাহজালাল দরগাহ প্রাঙ্গন ও কালেক্টরেট জামে মসজিদে জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের প্রধান জামাত। জামাতে সিটি করপোরেশনের মেয়র, সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন। ঠাকুরগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদের নামাজ আদায় করা হয় সকালে। এতে অংশ নেন সব শ্রেণী পেশার মানুষ।
হযরত শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহীর প্রধান ঈদ জামাত।
বরিশালে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহে। এছাড়া, চরমোনাই দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হয় নগরীর অন্যতম বৃহৎ ঈদ জামাত।
খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের প্রধান জামাত। এছাড়া নগরীর ৩১ টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন জামাতে দেশ জাতির মঙ্গলে দোয়া করা হয়।
এছাড়াও ধামরাই, সাভার, কুমিল্লা, যশোর, নড়াইল, নেত্রকোণা, রাজবাড়ী, বরগুনা, খাগড়াছড়ি, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, মৌলভীবাজার, গাজীপুর, দিনাজপুর, নাটোর, সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সকালে ঈদের জামাত আদায় করা হয়।