বেধে দেয়া দরের চেয়ে বেশি দামে চামড়া বেচাকেনা হচ্ছে দিনাজপুরে। নির্ধারিত মূল্য না জেনেই এবার চামড়া কিনছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আর এতে বাধ্য হয়েই বেশি দামে চামড়া কিনতে হচ্ছে আড়ৎদারদের।
চামড়ার মূল্য পুনঃনির্ধারণ না করলে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা। তবে স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, শুধু মৌসুমী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাই লোকসানের মুখোমুখী হচ্ছে।
নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এবার চামড়া কিনে বিপাকে দিনাজপুরের ব্যবসায়ীরা। ঈদের দুই দিন আগে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ায় লোকসান গুনছেন যারা আগেই বেশি দামে চামড়া কিনে রেখেছিলেন।
নির্ধারিত মূল্য না জেনে বেশি দামে চামড়া কিনেও অনেকেই বিপাকে পড়েছেন।
লবনযুক্ত গরুর চামড়ার প্রতি বর্গফুটের মূল্য ৭০ থেকে ৭৫ টাকা নির্ধারিত হলেও তা ৮৫ থেকে ১০০ টাকায় কিনেছেন দিনাজপুরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
সেইসঙ্গে যাতায়াত খরচ, শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন আর ঘরভাড়া বাবদ প্রতি বর্গফুট চামড়ার মূল্য পড়ছে ১১৫ থেকে ১৩০ টাকা। একইভাবে ছাগল কিংবা মহিষের চামড়া কিনেও লোকসানের মুখে তারা।
আড়ৎদাররা বলেন, নির্ধারিত মূল্যে কোথাও চামড়া না পেয়ে বেশি দামে বাধ্য হয়ে চামড়া কিনছেন তারা।
স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ীরা বলেন, ভিন্ন পেশার মানুষ যারা ঈদ মৌসুমে চামড়ার ব্যবসা করে, শুধু তারাই বেশি দামে চামড়া কিনে এখন বিপাকে পড়েছেন।