নাটোরের বড়াই গ্রামে যাত্রীবাহী দুইটি বাসের সংঘর্ষে ৩২ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ৩০ জন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সোমবার বিকেলে উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদিকে, এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে নাটোরের বড়াইগ্রাম হয়ে রাজশাহী যাচ্ছিল কেয়া পরিবহনের একটি বাস। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাজ্জাকের মোড় এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে বিপরীতদিক থেকে আসা অথৈ পরিবহনের আরেকটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুমড়ে মুচড়ে যায় বাস দুটি। ঘটনাস্থলেই ২৩ যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহত হয় কমপক্ষে ৩০ জনেরও বেশি। মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় নাটোর হাইওয়ে থানা ও বগুড়া সদর হাসপাতালের মর্গে।
ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্সী শাহাবুদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। স্থানীয় বনপাড়া আমেনা হাসপাতাল, পাটোয়ারী হাসপাতাল ও নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাদের। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরো কয়েকজন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দুর্ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। আপনজনের মৃত্যুর খবরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন অনেকে। অনেকে আবার স্বজনদের খোঁজে এদিক ওদিক ছুটছেন।
এদিকে, গাজীপুরের শ্রিপুরে বালু ভর্তি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পরে গেলে ২ জনের মৃত্যু হয়।