মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় চট্টগ্রামের আলবদর বাহিনীর প্রধান মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। রায়ে মীর কাশেমের সর্বোচ্চ সাজা- ফাঁসির প্রত্যাশা ছিলো মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
এদিকে, রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে সতর্ক অবস্থায় ছিলেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। মোতায়েন করা হয়েছিলো বিজিবি।
মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রামে তৎকালীন ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি মীর কাশিম আলীর নের্তৃত্বে টেলিগ্রাফ রোডের মহামায়া ডালিম হোটেল, দেওয়ান হাটের দেওয়ান হোটেল, পাঁচলাইশ ও চাক্তাই এলাকার দুটি কক্ষে চলতো নির্যাতন। চট্টগ্রামে আলবদর বাহিনীর প্রধান ছিলেন তিনি।
মির কাশেম আলীর নেতৃত্বে এসব টর্চার সেলে মুক্তিকামী বাঙালীদের ধরে এনে অমানবিক নির্যাতন চালাতো তার বাহিনী। মানবতা বিরোধী অপরাধ মামলায় মীর কাশিম আলীর রায়ে তাই সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা চট্টগ্রামবাসীর।
মীর কাশিম আলীর বিরুদ্ধে রায় যাই হোক, দ্রুত তা কার্যকরের দাবি চট্টগ্রামবাসীর।