ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান বিস্ফোরণ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন জঙ্গি সাজিদই নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ফরাজীকান্দার মাসুম কি-না? তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি নারায়ণগঞ্জের পুলিশ প্রশাসন।
এ ঘটনার তদন্তে নেমে আইনশৃংখলা বাহিনী সাজিদের ভাই মোনায়েম ও তার সহযোগী জাফর নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
এদিকে, মোনায়েম গ্রেপ্তার হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ বন্দর এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে, এ ব্যাপারে আতঙ্কের কিছু নেই বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ সুপার।
গত মঙ্গলবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ফরাজীকান্দা থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান বোমা বিস্ফোরণ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন জঙ্গি সাজিদের বড় ভাই মোহাম্মদ মোনায়েমকে আটক করে র্যা বের একটি দল।
পরে বুধবার ভোরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে র্যা ব। এ ঘটনায় র্যা ব-১১ এর উপসহকারী বাদী হয়ে বন্দর থানায় মনোয়েমের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
এরই প্রেক্ষিতে মোনায়েম ও তার সহযোগী জাফরের সঙ্গে সাজিদের কোনো যোগাযোগ আছে কি-না? তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
মোনায়েমের স্ত্রীর দাবি, সাজিদের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ ছিল না। আর এলাকাবাসীর দাবি, যারাই জড়িত হোক না কেন তাদের বিচারের আওতায় আনা হক।
এর আগে ২ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার খাগড়াগড়ে একটি বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত হয় দুই জন। এ ঘটনার তদন্তে নামে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)।
বিস্ফোরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে তারা কয়েকজনকে আটক করে। এরা নিষিদ্ধ সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) সদস্য বলে ভারতীয় গোয়েন্দাদের সন্দেহ।
পরে গত শনিবার কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে যশোর রোড থেকে প্রধান সন্দেহভাজন সাজিদকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। তাকে ধরার জন্য ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।