ভারতের কোচবিহারে বিএসএফ'র বিশেষ আদালতে আবারো শুরু হচ্ছে ফেলানী হত্যার পুনর্বিচার। আদালতে সাক্ষ্য দিতে আজ (রোববার) কোচবিহার যাচ্ছেন ফেলানীর বাবা নূর ইসলাম, পাবলিক প্রসিকিউটর আব্রাহাম লিংকন ও ৪৫ বিজিবি'র ভারপ্রাপ্ত পরিচালকসহ তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।
এর আগে অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমীয় ষোষকে ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিএসএফের বিশেষ আদলত বেকসুর খালাস দেয়।
ফেলানীর পরিবার এই রায় মেনে না নিলে গত ২২ সেপ্টেম্বর বিএসএফের বিশেষ আদালতে পুনর্বিচার শুরু হয়। পুনর্বিচারে গত ২৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল সাক্ষ্য দিতে ভারতে যায়।
তবে আদালতে বিচারিক কার্যক্রম মূলতবি হওয়ায় প্রতিনিধি দলটি ফেরত আসে। ফেলানী হত্যার ঘটনার ন্যায়বিচার চান তার পরিবারের সদস্যরা।
ফেলানী হত্যার বিচারসহ সীমান্তে বিএসএফের হত্যা, নির্যাতন বন্ধে দু-দেশের সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখবে সীমান্তের মানুষের এমনটাই প্রত্যাশা।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে ওপারে চলে যায় কিশোরী ফেলানী। ফেরার পথে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় সে। কাঁটাতারের বেড়ার ওপর ৪ ঘন্টা ঝুলে থাকে তার মৃতদেহ। পরে বিএসএফ ফেলানীর মৃতদেহ ফেরত দেয়।
এ ঘটনার ছবি দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তীব্র নিন্দা-সমালোচনার মুখে পড়ে বিএসএফ। পরে ২০১৩ সালের ১৩ আগষ্ট বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। আদালতে সাক্ষ্য দেন ওই হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম ও মামা আব্দুল হানিফ।