বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিট না থাকায় আগুনে পোড়া রোগীরা চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না। তাই বাধ্য হয়েই সাধারণ সার্জারি বিভাগে তাদের ভর্তি করা হচ্ছে। ফলে উপযুক্ত চিকিৎসা না পেয়ে অনেকই স্থায়ী ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন আবার অনেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য বাধ্য হয়ে রাজধানীতে আসছেন।
দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চিকিৎসা কেন্দ্র শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ১৯৬৮ সালে বরিশালের দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এ হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার মানুষ স্বাস্থ্যসেবা নেয় কিন্তু বড় এ হাসপাতালে নেই বার্ন ইউনিট কিংবা আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা।
ফলে আগুনে পুড়ে যাওয়া রোগীদের সাধারণ সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হলেও সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না রোগীরা। উপযুক্ত চিকিৎসা না পেয়ে অনেকেই স্থায়ী ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।
এ অবস্থায় ঢাকায় গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে অনেক রোগীকেই।
বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, আগুনে পোড়া রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেয়া যাচ্ছে।