রাজবাড়ির পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী নাদের হোসেন
দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত পাংশা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শুক্রবার রাত পৌনে ১টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ফরিদপুর মেডিকিল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, অধিক রক্তক্ষরণের কারণে ও অ্যাংজাইটি থেকে তিনি মারা গেছেন।
তিনি পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামে বাসিন্দা ছিলেন। দুপুর ৩টায় পাংশা বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
পরিবারের দাবি,নাদের হোসেন স্থানীয় সন্ত্রাসীদের নানা অপরাধ, অপকর্মের প্রতিবাদ করায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
তারা বলেন, এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মঞ্জুরের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভাইস চেয়ারম্যানের মোটরসাইকেল চালক আবুল কাসেম বলেন, ৫/৬ জনের একটি সন্ত্রাসীদল তিনটি গুলি করে তারমধ্যে দুটি গুলি চেয়ারম্যানের শরীরে বিদ্ধ হয়।
তিনিও দাবি করেন, স্থানীয় মঞ্জুরের নেতৃত্বে এ হামলা করা হয়েছে।
রাজবাড়ি জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকী হক দ্রুত দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
পাংশা উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন।
পাংশা থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, 'যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের পুলিশ চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে, তবে এখনই তাদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তাদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামে বাড়ি থেকে পাংশা শহরে যাওয়ার পথে মুন্সি নাদের হোসেনকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। একটি গুলি তার পেটে ও অপরটি তার বাম চোয়ালে বিদ্ধ হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার রাত পৌনে ১টার দিকে তিনি মারা যান।