ডা. শামারুখ মাহজাবিনের মরদেহ দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার কবর থেকে তোলা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল হাসান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সালাম, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকার সিআইডির এএসপি মুন্সী রুহুল কুদ্দুস, যশোর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ডা. হোসাইন সাফায়েত, ডা. জেসমিন সুমাইয়াসহ অন্য কর্মকর্তারা।
গত ১৪ নভেম্বর রাতে যশোর শহরের কারবালা কবরস্থানে ডা.শামারুখের মরদেহ দাফন করা হয়।
এর আগে গত ২৩ নভেম্বর ধানমণ্ডি থানায় পাঠানো ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন ডা. শামারুখের পিতা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম। এরপর মেয়ের লাশ উত্তোলন করে আবার ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মূখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আবেদন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ নভেম্বর আদালত যশোর জেলা প্রশাসককে সিভিল সার্জনের মাধ্যমে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে লাশ উত্তোলন করে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন জমাদানের নির্দেশ দেন।
গত ১৩ নভেম্বর ধানমণ্ডির বাসা থেকে যশোর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতানের পুত্রবধূ ডা. শামারুখ মাহজাবিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার পিতা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম খান টিপু সুলতান ও তার স্ত্রী ও পুত্রের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় টিপু সুলতান ও তার স্ত্রী আগাম জামিনে আছেন। আর শামারুখের স্বামী হুমায়ুন সুলতান সাদাব কারাগারে আছেন।