গত তিন বছরে উৎপাদিত সাড়ে ৭ হাজার মেট্রিকটনের বেশি চিনি অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে জয়পুরহাট সুগার মিলে। এতে পাওনা টাকা পাচ্ছেন না আখচাষীরা। বেতন পাচ্ছেন না কারখানার শ্রমিকরাও।
এদিকে মজুদ করা চিনি বিক্রি না হওয়ায় আগামী মৌসুমে গোডাউনে চিনি সংরক্ষণ নিয়ে বিপাকে পড়ার আশঙ্কা করছে চিনিকল কর্তৃপক্ষ।
জয়পুরহাট চিনিকলে গত তিন বছরে বিপুল পরিমাণে চিনি অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। এর মধ্যে ২০১১-১২ অর্থ বছরে উৎপাদিত ২ হাজার ১২০ মেট্রিকটন, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে উৎপাদিত ১ হাজার ৬৮৭ মেট্রিকটন এবং ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে উৎপাদিত চিনি রয়েছে ৩ হাজার ৭২০ মেট্রিকটন। অথচ এ চিনিকলের গুদামের ধারণ ক্ষমতা মাত্র ১০ হাজার মেট্রিকটনের কিছু বেশি।
এদিকে, চলতি মৌসুমে ৬ হাজার ৭৫০ মেট্রিকটন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নিয়ে মিলের উৎপাদন শুরু হবে আগামী ১২ ডিসেম্বর। এ অবস্থায় গোডাউনে চিনি সংরক্ষণ নিয়ে বিপাকে পড়ার আশঙ্কা করছে চিনিকল কর্তৃপক্ষ।
এসব চিনি বিক্রি না হওয়ায় পাওনা টাকা পাচ্ছেন না আখচাষীরা। এতে আখ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন তারা। বকেয়া বেতন না পাওয়ায় চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন কারখানার শ্রমিক ও কর্মচারীরাও।
এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।