আন্দোলন করার মতো কোনো পরিস্থিতিই নেই বিএনপির—জনগণের সাড়া না পেয়ে হতাশ বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শনিবার দুপুরে ধামরাইতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ইসলামপুরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ আয়োজিত পরিদর্শন বাংলোর সম্প্রসারিত ভবনের উদ্ধোধন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় একের পর এক আন্দোলনের ডাক ব্যর্থ হওয়ার পর এবার বিএনপি গণঅভ্যুত্থানের হুংকার দিচ্ছেন, আসলে জনগণও আন্দোলনের মুডে নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গণআন্দোলন হচ্ছে নদীর ঢেউ, আর গণঅভ্যুত্থান হচ্ছে সমুদ্রের গর্জন। যেখানে বিএনপি নদীর ঢেউই সৃষ্টি করতে পারেনি সেখানে সমুদ্রের গর্জনের ডাক দেয় কিভাবে এ প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা একটি বিষয় পরিস্কার জানিয়ে দিতে চাই তা হলো আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য ও সহিংসতা হলে সরকার বসে থাকবে না আর জনগণের জানমালের রক্ষার্থে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে।
মন্ত্রী বলেন, গত ছয় বছরে তারা বার বার আন্দোলনের ডাক দিয়েও জনগনের সাড়া পাননি। তার চাইতে বড় কথা তাদের নিজেদের- ও এ ব্যাপারে কোনো প্রস্তুতি নেই।
ভবিষ্যতে বিএনপি আন্দোলনের নামে সহিংসতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে আশংকা করে মন্ত্রী হুঁশিয়ারী ঊচ্চারণ করেন, তেমনটি করা হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়া ছাড়া কোন বিকল্প কিছু থাকবে না।
‘রাজনীতিতে হতাশার কোনো স্থান নেই, মামলা হামলা জেল-জুলুমের মধ্যে দিয়েই আন্দোলন করতে হয়। কিন্তু বিএনপির সেই ক্ষমতা নেই। কারণ নেতাকর্মীরা মাঠে যেতে চাইলেই নেতারা ঘরে বসে আরাম আয়েশ করেন।এভাবে আন্দোলন হয়না। আর জনগণও আন্দোলনের মুডে নেই বলে জানান তিনি।
কাদের বলেন, এ পর্যন্ত বিএনপির নেতাদের কাউকে রাজপথে দেখা যায়নি। যার কারণে বার বার আন্দোলেনর হাক ডাক দিয়েও কখনোই সাড়া পায়নি বিএনপি। ভবিষ্যতে-ও পাবে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাহাবুদ্দিন খান গাজীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান সহ ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা।