শীত ও ঘন কুয়াশায় কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, যশোর, ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। দিনের বেশিরভাগ সময়ই দেখা মিলছে না রোদের। সেইসঙ্গে বইছে উত্তরের হিমেল হাওয়া।
তীব্র ঠাণ্ডায় দুর্ভোগে পড়েছেন বৃদ্ধ, শিশু আর ছিন্নমূল মানুষেরা। এদিকে, ভোলায় শীতবাহিত রোগে গত দুই সপ্তাহে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হাসপাতালে বাড়ছে প্রতিদিনই। এদের মধ্যে শিশু ও বয়স্কের সংখ্যাই বেশি।
হঠাৎ রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তবে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন।
পাবনাতেও জেঁকে বসেছে শীত। হাসপাতালগুলোতেও বাড়ছে শীতজনিতে রোগীর ভীড়। গত কয়েকদিন ধরে শৈত প্রবাহে বিপাকে পড়েছে কুড়িগ্রামের নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারাও। কনকনে শীতে কাজে যেতে না পারায় চরম কষ্টে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।
ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জালিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে চালকদের। তীব্র শীতে ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। কুয়াশার কারণে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কায় তারা।
পঞ্চগড়েও সারা দিনই সূর্য্যের ওঠায় সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় হিমেল হাওয়া। তীব্র শীত আর কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক কাজ-কর্ম করতে পারছেন না মানুষ।