আগামী ২৭ ডিসেম্বর গাজীপুরে একই স্থানে একই সময়ে ২০ দলীয় জোটের জনসভা ও ছাত্রলীগের বিক্ষোভ সমাবেশকে ঘিরে পুরো এলাকায় বিরাজ করছে উত্তেজনা। এনিয়ে পাল্টাপাল্টি লিফলেট বিতরণ করেছে দুদলই। যেকোনো মূল্যেই বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ। আর অন্যদিকে ছাত্রদল জানিয়েছে শত প্রতিকূলতার পর জনসভা করা হবে।
এদিকে,পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. হারুন অর রশিদ।
আগামী ২৭ ডিসেম্বর গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ মাঠে জনসভা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ২০ দলীয় জোট। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারেক জিয়ার কটুক্তির পর ওই বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায় ছাত্রলীগ। অন্যথায় খালেদা জিয়াকে গাজীপুরে ঢুকতে দেয়া হবে না বলে জানিয়ে একই স্থানে একই সময়ে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ।
এ হুঁশিয়ারির জবাবে ছাত্রদল জানিয়েছে নির্দিষ্ট তারিখে নির্ধারিত জায়গাতে নির্দিষ্ট সময়েই খালেদা জিয়ার জনসভা হবে। এর জন্য যে ভাষায় কথা বলা দরকার যে পদ্ধতিতে কাজ করা দরকার তা করতে ছাত্রদল বদ্ধপরিকার। স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলছেন ছাত্রলীগ নিজেরা যেচে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছে।
এদিকে, মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এক সমাবেশে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান বলেন, তারেক রহমান নির্শত ক্ষমা না চাইলে ছাত্রলীগ যেকোনো মূল্যেই গাজীপুরে সমাবেশ করবে।
জনসভাকে সফল করতে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেছে জেলা ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে একই স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করতে লিফলেট বিতরণ করেছে মহানগর ছাত্রলীগ।
এমন পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে জনমনে বাড়ছে আতঙ্ক। পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা দেখা দিলে অবস্থা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান পুলিশ সুপার।