সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধে মংলায় ঘষিয়াখালী চ্যানেলে ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি এবার চালু হচ্ছে খাল অবমুক্তকরণ কার্যক্রম। এ চ্যানেল দিয়ে আবারও নৌযান চলাচলের উপযোগী করার জন্য বাঁধ কেটে খাল খনন করা হচ্ছে। এতে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধের পাশাপাশি বনের জীব বৈচিত্র রক্ষা পাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মংলা বন্দরের খালাস করা পণ্য নৌপথে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠাতে ঘষিয়াখালি চ্যানেল চালু করা হয়। তবে নাব্যতা সংকটের কারণে ২০১০ সাল থেকে সুন্দরবনের শ্যালা নদী দিয়ে বন্দরে পণ্য আনা নেয়া করা হচ্ছে। সম্প্রতি শ্যালা নদীতে ট্যাংকার ডুবে সুন্দরবনে ছড়িয়ে পড়ে সাড়ে তিন লাখ লিটার ফার্নেস অয়েল।
এ ঘটনার পরপরই ঘষিয়াখালি চ্যানেলটি চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ি মঙ্গলবার থেকে মাসব্যাপী ড্রেজিং শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালীরা এই চ্যানেলের সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোতে চিংড়ি চাষ করছে। খালগুলো দখলমুক্ত করতেও কাজ শুরু হয়েছে।
সুন্দরবনের ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনার পাশাপাশি অর্থনেতিক কারণে মংলা বন্দর সচল রাখার কথা বলছেন পরিবেশবিদরা।
খালগুলো দখলের কারণে একদিকে যেমন ঘষিয়াখালী চ্যানেল হারাচ্ছে নাব্যতা, অন্যদিকে জলাবদ্ধতার কারণে এই অঞ্চলের ফসলের ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, খালগুলো দখলমুক্ত হলে ফিরে আসবে স্বাভাবিক অবস্থা।