তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত রাজধানীসহ সারাদেশের জনজীবন। সারাদেশে আরো দুই দিন এ শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের বিভিন্ন স্থানে শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বৃদ্ধ আর শিশুরা। গত চারদিনে ভোলায় নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগে মারা গেছে তিন শিশু। হাসপাতালগুলোতে রোগীদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে, হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশায় নীলফামারী, লালমনিরহাট,মৌলভীবাজার,দিনাজপুর, কুড়িগ্রামসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার জনজীবন স্থবির। সেইসঙ্গে বইছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী ছিন্নমূল মানুষেরা।
গত সপ্তাহের তুলনায় শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ঠাণ্ডা, সর্দি, কাশি, জ্বর ও নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ভোলার শিশুরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা না থাকায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভিড় করছেন রোগীরা। শীতজনিত রোগে গত ৪ দিনে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৩টি শিশু।
এদিকে, শৈত্য প্রবাহের কারণে মৌলভীবাজারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা আচল হয়ে পড়েছে। মৌলভীবাজারে আজক সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে নাকাল হয়ে পড়েছেন নীলফামারীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গার দরিদ্র, ছিন্নমূল মানুষেরা। খড়কুটো জ্বেলে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন তারা।
হাড়কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত লালমনিরহাটের তিস্তা ও ধরলা পাড়ের জনজীবন। ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতের কারণে কাজে যেতে পারছেন না কুড়িগ্রামের ছিন্নমূল মানুষেরা।
কাজে যেতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন দিনাজপুরের খেটে খাওয়া এসব মানুষ। তীব্র শীত আর উত্তরের হিমেল বাতাসে বিপর্যস্থ চুয়াডাঙ্গার জনজীবন।
রোববার সকালে আবহাওয়া অফিস জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।