জামাতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ফাঁসি দেয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন রংপুরবাসী। এর আগে রায়ে সবোর্চ্চ শাস্তির আশা করেন তার নিজ জেলা রংপুরের মানুষ। রায় নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করে উত্তেজনা। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তাকে ফাঁসির আদেশ দিয়ে ছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলে বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে ওই সময়কার জেলা আলবদর কমান্ডার এ. টি. এম. আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুরের ঝাড়ুয়ার বিল এলাকায় বিহারী ও পাকিস্তানি হানাদারদের নিয়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায় আজহারুল। পাকিস্তানিরা প্রায় ১২০০ নিরাপরাধ মানুষকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। এছাড়াও তার সহায়তায় পাকিস্তানিরা রংপুর কারমাইকেল কলেজের কয়েকজন শিক্ষককে শহরের দমদমা এলাকায় নিয়ে হত্যা করে।
বদরগঞ্জে হত্যা, গণহত্যা, লুন্ঠন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। প্রতিটি ঘটনায় আজহারুল ইসলাম পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে অংশ নেন।
মঙ্গলবার আজহারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় দেবে ট্রাইব্যুনাল। আজহারের সবোর্চ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তার নিজ জেলার মানুষ।
এটিএম আজহার মুক্তিযুদ্ধের সময় যে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন তা বিচারের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে বলে আশা স্থানীয় সংসদ সদস্য।