মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বদর নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে ফাঁসি দেয়ার প্রতিবাদে বুধবার ২/১টি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া সারাদেশে ঢিলেঢালাভাবে হরতাল পালন করেছে জামাত।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, গাজীপুরের চান্দিনা চৌরাস্তা এলাকায় সকালে ঝটিকা মিছিল বের করে হরতাল সমর্থকরা। এ সময় তারা কয়েকটি হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় এবং বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করে। একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় হরতাল সমর্থকরা। এছাড়া টঙ্গীর চেরাগআলীতে কয়েকটি হাত বোমা বিস্ফোরণ এবং রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে পিকেটাররা।
এদিকে, বরিশালের বান্দোরোডের ভিআইপি গেটের সামনে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শিবির। সড়কে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। এ সময় পুলিশ সদস্য জয়নাল আবেদিন বাধা দিলে তার ওপর হামলা চালায় শিবিরকর্মীরা।
রাজশাহীর অক্টয় মোড় এলাকায় পুলিশের গাড়ী লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় পিকেটাররা। এছাড়া নগরীর আলিফ লাম মিম ভাটা এলাকায় সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে তারা।
সিলেট নগরীর তালতলায় জামাত শিবির মিছিল বের করার চেষ্টা করলে ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এ সময় ছাত্রলীগ ঘটনাস্থলে এলে ত্রিমুখী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
খুলনার বানরগাতী বাজার এলাকা থেকে হরতালের সমর্থনে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। তবে অনেকটাই স্বাভাবিক নগরীর জনজীবন। নাশকতার আশঙ্কায় দিনাজপুরের উপজেলা শহরগুলোতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামে হরতালের তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। সকালের দিকে কুয়াশার কারণে সড়কগুলোতে কম দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন বাড়তে থাকে। বন্দরের পণ্য ওঠানামাও স্বাভাবিক রয়েছে।
এছাড়াও নাশকতার আশঙ্কায় সাতক্ষীরা, ভোলা, নোয়াখালী, হবিগঞ্জসহ সারাদেশে এ পর্যন্ত প্রায় দেড়শতাধীক জনকে আটক করেছে পুলিশ।