তুত পাতার অভাবে ফরিদপুরে ব্যাহত হচ্ছে রেশম চাষ। পর্যাপ্ত গাছ ও পাতার অভাবে গুটি পোকার খাদ্য সংকট দেখা দেয়া আর গুটি তৈরি কমে যাওয়ায় রেশমের উৎপাদনও কমে গেছে একেবারে। শুরুতে ব্যাপক সাফল্য পেলেও এখন বেকার হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে রেশম উৎপাদনে।
ছেড়ে দিচ্ছেন রেশমের চাষাবাদ, রেশম চাষ উন্নয়নে সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন চাষীরা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ফরিদপুর সদর উপজেলার গঙ্গাবর্দি গ্রামে দুই দশক আগে সরকারি উদ্যোগে শুরু হয় রেশম চাষ। ওইসময় রেশম চাষের জন্য বেশ কয়েকটি পরিবারকে একটি ঘর ও আট হাজার টাকা সহায়তা দেয় বাংলাদেশ রেশম বোর্ড। এ উদ্যোগে সাড়া দিয়ে রেশম চাষ শুরু করেন তারা। তাদের সফলতায় এ অঞ্চলে সম্প্রসারিত হয় রেশমের চাষ। বেকারত্ম দুর হয় স্বাবলম্বী হয়ে উঠেন অনেক চাষী।
তবে বর্তমানে তুত গাছ কমে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে পাতার সংকট। গুটি পোকার খাদ্য সংকট দেখা দেয়ায় রেশম তৈরিও কমে গেছে। বেকার হয়ে পড়েছেন অনেকে। অনেকে রেশম চাষ ছেড়েও দিয়েছেন। এ অবস্থায় সরকারি সহায়তার চেয়েছেন রেশম চাষীরা।
এদিকে, গ্রামে রেশম সম্প্রসারণ অফিস থাকলেও তার কার্যক্রম নামমাত্র। লোকবলেরও অভাব রয়েছে, রেশম চাষে কর্তৃপক্ষের সুনজর প্রত্যাশা করছেন অফিসের কর্মকর্তারাও। সব কিছু মিলিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে দেশে উন্নত মানের রেশম উৎপাদনে।