২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর যশোরের মালোপাড়া ও দিনাজপুরের কর্ণাই গ্রামে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছিল নির্বাচন বিরোধীরা। এক বছরে এসব এলাকার মানুষ এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে এলেও এখনো আতঙ্ক কেটে উঠতে পরিনি তারা।
এসব ঘটনায় করা মামলার আসামিরা অনেকেই এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। আর এতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। হামলাকারিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি তাদের।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। ভোটদেয়া শেষে যার যার বাড়িতেই ছিলেন যশোরের অভয়নগরের মালোপাড়ার মানুষ। সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই পাল্টে যায় ওই এলাকার চিত্র। হিন্দুদের বেশ কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ আর ভাংচুর শুরু হয়। জামাত বিএনপির হামলায় আতঙ্কিত হয়ে ৫০০ বেশি নারী-পুরুষ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান পাশের দেশ ভারতে।
এ ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মালোপাড়ায় ৬২টি বাড়িঘর নির্মাণ করে দেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বসানো হয় পুলিশ ক্যাম্প। এক বছরে মালোপাড়ার মানুষ ঘুরে দাঁড়ালেও হামলার আতঙ্ক এখনো কাটেনি।
হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় মামলা হলে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে, এখনো মামলাটির তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
এদিকে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে যাওয়ায় দিনাজপুর সদর উপজেলার কর্নাই গ্রামের মানুষের বাড়িঘর, মন্দির ও দোকানপাটে হামলা চালায় নির্বাচন বিরোধীরা। ঘটনার প্রায় ১ বছর পরও হামলাকারীরা নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ অনেককে গ্রেপ্তার করলেও জামিনে রয়েছে তারা। তবে, আসামিদের দ্রুত বিচারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।