নরসিংদীর মনোহরদীর কাইতেরগাঁও গ্রামে রাহিমা বেগম নামে চতুর্থ শ্রেনীর এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। বড় বোনকে বিয়ে করতে না পেরে রাহিমার ওপর তার শোধ নিয়েছে প্রতিবেশি কিরণ মিয়া বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা
এ ঘটনায় রাহিমার বাবা আব্দুল আউয়াল বাদী হয়ে কিরণ মিয়াসহ দুই জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে আটক করে।
নরসিংদীর মনোহরদীর কাইতেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী রাহিমা বেগম। প্রতিদিনের মতো শনিবার সন্ধ্যায়ও পাশের বাড়িতে টিভি দেখতে যায় সে। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি পরিবারের সদস্যরা। পরদিন সকালে একটি লাউক্ষেতের পাশে রাহিমার মৃতদেহ পরে থাকতে দেখে স্থানীয়রা।
বড় বোন রহিমা আক্তারকে বিয়ে করতে না পেরে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে বখাটে কিরণ মিয়া রাহিমাকে ধর্ষন করে। পরে জলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকাসহ বিভিন্ন নির্যাতন করে হত্যা করা হয় তাকে বলে জানান ধর্ষিতার মা।
এ ঘটনায় রাহিমার বাবা আব্দুল আউয়াল বাদী হয়ে রোববার বিকেলেই কিরণ মিয়া ও সহযোগি রূপচানকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
এদিকে, কিরণ মিয়া ও তার সহযোগির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।