জেলার খবর

কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড: পৌর মেয়র গউস সাময়িক বরখাস্ত

জিকে গউস
জিকে গউস

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি হিসেবে কারাবন্দি থাকায় হবিগঞ্জের পৌর মেয়র জিকে গউসকে মেয়রের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশ মোতাবেক মেয়র জিকে গউসকে কিবরিয়া হত্যা মামলার আসামি এবং তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করায় বিধি মোতাবেক তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এদিকে, অপর এক আদেশে হবিগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ ও নারি কাউন্সিলর পিয়ারা বেগমকে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এর আগে একই হত্যা মামলার চার্জসিটভুক্ত অন্যতম আসামি সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী গত ৩০ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পন করলে তাকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

গত ২৮ ডিসেম্বর পৌর মেয়র জিকে গউস হবিগঞ্জ জ্যেষ্ঠ জুডিসিয়াল মেজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পন করেন। পরে জামিন আবেদন জানালে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

গত ২১ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ আদালতে ৩৫জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জসিট দাখিলের পর আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

এ মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন: বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, মওলানা তাজউদ্দিনের ভগ্নিপতি হুজি নেতা হাফেজ মো. ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে করিম, দেলোয়ার হোসেন রিপন, শেখ ফরিদ, আবদুল জলিল ও মওলানা শেখ আবদুস সালাম।

গত ৬ ডিসেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলার সম্পূরক চার্জসিট দাখিল করা হলে আদালতের বিচারক এ সম্পূরক চার্জসিটে কিছু ভুল থাকার কারণে সংশোধন করে ২১ ডিসেম্বর দাখিল করার আদেশ দেন।

ওইদিনই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মেহরেুন্নেছা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের পর বিচারক রোকেয়া আক্তার এজাহারভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এর আগে ২০০৫ সালের ১৯ মার্চ প্রথম দফায় ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দ্বিতীয় দফা আসামির সংখ্যা ১৬ জন বাডিয়ে ২০১১ সালের ২০ জুন ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

উল্লেখ, শাহ এ এম এস কিবরিয়া ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে ঈদ-পরবর্তী জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এ হামলায় কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগের নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী নিহত হন। মারাত্মক আহত হন শতাধিক ব্যক্তি।

এ ঘটনায় হবিগঞ্জ-১ আসনের বতর্মান সাংসদ আবদুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুইটি মামলা করেন। আর গউছ কিবরিয়া হত্যা মামলার ৪র্থ চার্জশিটভুক্ত আসামি।

দেশটিভি/এএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অপার জীবনানন্দ’

শৌচাগারের দরজায় বঙ্গবন্ধুর ছবি পোস্ট, কারাগারে তরুণ

৮ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যায় চারজনের ফাঁসি

তেঘরিয়া কবরস্থানে সমাহিত হলেন শিক্ষাবিদ আব্দুল আলী

উখিয়া শরণার্থী শিবিরে দুই রোহিঙ্গা নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মেয়রসহ গুলিবিদ্ধ তিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ