সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে তেলবাহী ট্যাংকার ডুবির ঘটনার একমাস পূর্ণ হল। ছড়িয়ে পড়া ফার্নেস অয়েলের ক্ষতিকর প্রভাব কাটিয়ে এরইমধ্যে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে বনের জীববৈচিত্র্য। তবে এ ঘটনার দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির প্রভাব যাচাই করতে আরো পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। এদিকে, এ ট্যাংকার ডুবির ঘটনাকে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছে বনবিভাগ।
২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারের সংঘর্ষে ৩ লাখ ৫৭ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েলসহ ডুবে যায়-ওটি সাউদার্ন স্টার সাত। এতে নদী সংলগ্ন ৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে তেল। হুমকির মুখে পড়ে বনের জীববৈচিত্র।
এ ঘটনায় ২৭ দিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার থেকে এ রুটে আবারো শর্তস্বাপেক্ষে নৌযান চলাচল করার অনুমতি দেয়া হয়। সরকারি ও বেসরকারিভাবে নদী থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়েছে মাত্র ৬৫ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাময়িক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারলেও দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতির প্রভাব জানতে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখতে হবে।
এদিকে, তেলবাহী এ ট্যাংকার ডুবির ঘটনাকে সতর্ক-বাণী হিসেবে দেখছে বনবিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে মনিটরিং সেল গঠনের পরামর্শ দেন তারা ।