নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নলদিয়া গ্রামে শনিবার সকালে বিয়েতে রাজি না হওয়ায় অর্চনা রানী দাস (২২) নামে এ তরুণী খুন হয়েছেন।
অর্চনা রানী দাস নলদিয়া গ্রামের সুরেশ চন্দ্র দাসের মেয়ে। ঘটনার পর অভিযুক্ত রিপন চন্দ্র দাসকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ। রিপন একই গ্রামের রাখাল তকন চন্দ্র দাসের ছেলে।
পুলিশ এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর থেকে অর্চনার সঙ্গে পাশের বাড়ির রিপনের প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। কয়েকদিন আগে অর্চনার পরিবার অন্য জায়গায় তার বিয়ে ঠিক করে।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে অর্চনার ঘরে প্রবেশ করে ছোরা দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে রিপন। পরে বাড়ির লোকজন অর্চনাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নবীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন, অর্চনা রানী বাড়িতে সেলাইয়ের কাজ করতেন। আর রিপন চন্দ্র দাস পেশায় জেলে। সকালে অর্চনা বাড়িতে জানালার পাশে বসে সেলাইয়ের কাজ করছিলেন। এ সময় রিপন একটি ছোরা হাতে নিয়ে অর্চনাকে আঘাত করেন। এতে অর্চনা গুরুতর আহত হন। বাড়ির লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় অর্চনাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
বেলায়েত হোসেন আরো বলেন, ঘটনার পর রিপন চন্দ্র দাস নিজেই পেটের মধ্যে ছুরি ঢুকিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। স্থানীয় লোকজন তাকে ছোরাসহ ধরে ফেলেন, পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রিপনকে আটক করা হয়েছে।