চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে ৪ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন।
দুর্ঘটনার পর সুন্দরবন-৮ ও পারাবত-৯ লঞ্চের রুট পারমিট সাময়িক বাতিল করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন: ভিআইপির যাত্রী লে. কমান্ডার মোস্তফা কামালের মা সাহেনা বেগম (৬৫) ও ছেলে আবরাহার শাকিল (৬)। বাকি ২ জনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে আমাদের সংবাদাতা জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে বরিশালগামী এমভি পারাবত-৯ লঞ্চটি ধাক্কায় দেয় এমভি সুন্দরবন-৮ লঞ্চটিকে। এতে দুমরে মুচরে যায় সুন্দরবন লঞ্চের ভিআইপিসহ ৪টি কেবিন, লঞ্চটি বরিশাল থেকে ঢাকা আসছিল। রাত ২টার দিকে মেঘনা নদীর চাঁদপুরের মোহনায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে, লঞ্চটি ভোরে বরিশাল ঘাটে পৌঁছানো মাত্র সকল স্টাফ পালিয়ে যায়। পরে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ লঞ্চের রুট পারমিট ও যাত্রা বাতিল করে।
আহত যাত্রীদের মধ্যে ৮ জনকে প্রথমে চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলেও পরে তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রুপার নামের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিদের এখনো কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
সুন্দরবন লঞ্চের মালিক সাইদুর রহমান রিন্টু এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।