রাজবাড়ির পাংশা উপজেলার আদিবাসী পল্লীতে এলাকার কিছু দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে মা-মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালীদের সহায়তায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ধর্ষণের শিকার মা-মেয়ে।
এরইমধ্যে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের কথা স্বীকারও করেছে সে। অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি এলাকাবাসীর।
রাজবাড়ির পাংশা উপজেলার বৃত্তিডাঙ্গা গ্রামে বিধবা মা ও তার মেয়ের বসবাস। অভাব অনটনের মধ্যদিয়েই ভাঙা খুপরি ঘরে তাদের জীবন যাপন।
অভিযোগ উঠেছে ৬ জানুয়ারি রাতে স্থানীয় যুবক সাফিন, সাদ্দাম, জিয়াউলসহ ৬/৭ জন দুর্বৃত্ত ঘর থেকে বিধবা মাকে ধরে নিয়ে যায়। কাছের একটি বাগানে নিয়ে গণধর্ষণ করে তাকে। এরপর ঘর থেকে মেয়েকেও তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে তারা। এতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে মেয়েটি। কিছুক্ষণ পর দুর্বৃত্তরা আবারো তাদের ধরে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় গণধর্ষণ করে।
ঘটনা কাউকে জানানো হলে প্রাণনাশের হুমকি দেয় তারা।
এ ঘটনায় ১০ জানুয়ারি দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সাফিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকারও করেছে সে।
গণধর্ষণের এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এলাকাবাসীর।