হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত ভোলা, দিনাজপুর, চুয়াডাঙ্গা, শেরপুর, কুড়িগ্রামসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার জনজীবন। শীতের কারণে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত সাত দিনে ভোলায় মারা গেছে ২ শিশু।
এদিকে, সোমবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মাঘের শুরুতে কনকনে শীত। সেই সঙ্গে বইছে হিমেল বাতাস। দিনের অর্ধেকের বেশি সময় সূর্যের দেখা পাওয়া যায় না। তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়ায় শীতে কাহিল হয়ে পড়েছেন দিনাজপুরবাসী। গরম কাপড় না থাকায় তীব্র শীতে কষ্ট পাচ্ছেন দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষেরা।
শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভোলার বাঁধ এলাকা ও আশেপাশের জনজীবন। হাড়কাঁপানো শীতে ঘরের বাইরে যেতে পারছেন না মানুষ। কাজকর্ম করতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় ও বিভিন্ন চরাঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষেরা। শীতের কারণে কাজে যেতে না পারায় খাবার জোগাড় করতে পারছে না তারা। আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন তারা।
এদিকে, গত কয়েকদিন ধরে শৈতপ্রবাহের কারণে তীব্র শীত আর উত্তরীয় হিমেল বাতাসে বিপাকে পড়েছেন কুড়িগ্রামের নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ। কাজে যেতে না পারায় চরম কষ্টে আছেন শ্রমজীবী মানুষেরা। কনকনে শীতে কাবু হয়ে পড়েছে গবাদী পশুপাখিও।