টানা শৈতপ্রবাহ, হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার জনজীবন। দিনের অর্ধেকের বেশি সময় দেখা মিলছে না সূর্যের। সেইসঙ্গে বইছে উত্তরের হিমেল হাওয়া।
তীব্র শীতে দুর্ভোগে পড়েছেন দিনাজপুর, যশোর, নাটোর, নীলফামারী, পঞ্চগড়সহ এসব এলাকার বৃদ্ধ, শিশু আর ছিন্নমূল শ্রমজীবী মানুষেরা। গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এক শিশু। প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।
গত কয়েক দিনে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রায় ২০০ রোগী। এদের মধ্যে বৃদ্ধ ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।
এদিকে, তীব্র শীতের কারণে কাজে যেতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন কুড়িগ্রামের শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। গরম কাপড়ের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে চরাঞ্চলের মানুষ।
দিনাজপুরে প্রতিদিনই বাড়ছে শীতের তীব্রতা। দিনাজপুরে বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন অভিভাবকরা।
ঠাণ্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশার কারণে ঘরের বাইরে বেরুতে পারছে না পঞ্চগড়ের শ্রমজীবী মানুষেরা। শীত নিবারণে নাটোরে নিম্নআয়ের মানুষ ভিড় করছে শহরের ফুটপাতে শীতবস্ত্রের বাজারে।
তীব্র শীতে কাতর হয়ে পড়েছে নীলফামারীর ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষেরা। কাজে যেতে না পারায় খাবারের সংস্থান করতে পারছে না যশোরের হতদরিদ্র মানুষজন।