প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে শরীয়তপুরের মাঝের চরের ৫ শতাধিক শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা। চরে নেই কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে থেমে যাওয়ার পথে এখানকার শিশুদের তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণের শেষ সুযোগটুকুও।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, শরীয়তপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কি.মি. দক্ষিণে গোসাইরহাট উপজেলার মাঝের চর গ্রাম। মেঘনা নদীর পাড়ের এ গ্রামটিতে প্রায় ৮০০ পরিবারের বসবাস। এ সব পরিবারে ৬ থেকে ১১ বছর বয়সি শিশুর সংখ্যা পাঁচশরও বেশি।
সরকারি কোনো বিদ্যালয় না থাকায় ২০০৭ সালে ৪টি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা।
শিশু থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত মাত্র ১২০ জন শিশু শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পায়। ফলে প্রতিবছরই চরের চারশতাধিক শিশু শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়।
এর মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষা গ্রহণের শেষ সুযোগটুকুও হারাতে বসেছে শিক্ষার্থীরা। শিশুরা যেন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য দ্রুত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের দাবি চরবাসীর।
এদিকে, সমস্যা সমাধানে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।