বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলের ডাকা টানা অবরোধ-হরতালে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পেট্রোলবোমায় দগ্ধ হয়ে নীলফামারীর আব্দুল মালেকের মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে।
স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে সহাদেব বড়গাছা বানিয়াপাড়ার গ্রামের পরিবেশ। রাজনীতির নামে এমন সহিংসতা বন্ধের দাবি জানান এলাকাবাসী।
পেট্রোলবোমায় দগ্ধ হওয়ার ছয় দিন পর মারা যান নীলফামারীর সদর উপজেলার সহাদেব বড়গাছা বানিয়াপাড়ার গ্রামের আব্দুল মালেক। শোকে বিহ্বল তার স্ত্রী মমতা বেগম ও পাঁচ সন্তান।
বিশ্ব ইজতেমা শেষে ২১ জানুয়ারি ট্রাকে করে বাড়ি ফেরার পথে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ভাঁদ গাঁ নামক এলাকায় পৌঁছেলে দুর্বৃত্তরা ট্রাকে পেট্রোলবোমা ছোড়ে।
এতে ট্রাকের যাত্রীসহ দগ্ধ হন আব্দুল মালেক। তাকে প্রথমে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে টানা ছয় দিন জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে সোমবার মারা যান তিনি।
নিহতের বড় ছেলে আব্দুল মোত্তালেব জানান বাবাই ছিল আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি, আমাদের পরিবারটা একেবারে শেষ হয়ে গেল। আর কত প্রাণ ঝরলে সহিংসতা বন্ধ হবে।
গত মঙ্গলবার সকালে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় আব্দুল মালেককে।
এ সময় দেশ টিভিকে রাজনীতির নামে সহিংসতা ও নাশকতা বন্ধের দাবি র জানান এলাকাবাসী। সেই সঙ্গে সহিংসতাকারীদের বিচারের দাবি জানান তারা।