বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অবরোধ আর হরতালের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে খুলনার চিংড়ি শিল্প। অবরোধের কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চলে উৎপাদিত চিংড়ি প্রক্রিয়াজাত কারখানায় পাঠাতে সমস্যা হচ্ছে। এদিকে, প্রক্রিয়াজাত চিংড়ি রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে মোটা অঙ্কের লোকসান গুণতে হচ্ছে চিংড়ি চাষী ও ব্যবসায়ীদের।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, আশির দশক থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে চিংড়ি চাষ ও প্রক্রিয়াজাত করার জন্য গড়ে ওঠে শতাধিক কারখানা। তবে নানাবিধ কারণে অধিকাংশ কারখানা বন্ধ হয়ে গেলেও এখন মাত্র ৫৪টি কারখানা চালু রয়েছে।
ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক রেজাউল হক বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির মূল্য হ্রাস পাওয়ায় কোনো মতে এসব শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে।
ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন পরিচালক কাজী বেলায়েত হোসেন বলেন, সমস্যা সংকটের মধ্যে টানা অবরোধ আর হরতালের কারণে প্রস্তুতকৃত হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি করা যাচ্ছে না। এতে সময়মত রপ্তানি না হওয়ায় বিশ্বে চিংড়ির বাজার নষ্ট হচ্ছে।
এদিকে, ব্যাংক থেকে লোন নেয়ায় মোটা অঙ্কের লোকসান গুণতে হচ্ছে চিংড়ি চাষী ও ব্যবসায়ীদের। এতে কারখানা শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধেও দেখা দিয়েছে জটিলতা।