অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ট্রলারডুবির একদিনের মাথায় চট্টগ্রাম থেকে আবারো ৪০জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে মালয়শিয়া যাওয়া।
অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের কয়কেটি দালালের সংঘবদ্ধচক্র এ মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত।
কোস্টগার্ড জাহাজ তৌহিদের সিইও কমার ডিকসন চৌধুরী দাবি করেন, তাদের তৎপরতায় মানবপাচার কমে এসেছে।
কোস্টগার্ডের এ বক্তব্যের একদিন পরই সাগর পথে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের একটি হোটেল থেকে ৪০ জনকে আটক করে পুলিশ। তারা বলছে, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের দালালরা তাদের মালয়েশিয়া পাঠানোর জন্য জড়ো করে।
কক্সবাজারের তুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এস থোয়াই জানিয়েছেন, এসব দালালদের গ্রেপ্তারে তারা উদ্যোগ নেবেন।
আগের মতোই গত বৃহস্পতিবারও সমুদ্র পথে অবৈধ উপায়ে শতাধিক মানুষ মালয়েশিয়া যাচ্ছিল। কিন্তু বঙ্গোপসাগরের কতুবদিয়া পয়েন্টে ট্রলারটির ডুবে যায়। পরদিন, ৮জনের মৃতদেহ ভেসে উঠলেও এখনো নিখোঁজ অনেকেই।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র নানা উপায়ে সাধারণ দরিদ্র মানুষকে এপথে যেতে প্রলুব্ধ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডে পাঠানোর কথা বলেই মূলত দালালচক্র লোক জড়ো করে থাকে। তাদের টার্গেট উত্তরবঙ্গ এবং কক্সবাজার-টেকনাফের দরিদ্র মানুষ।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী পতেঙ্গাসহ কয়েকটি পয়েন্ট এবং কক্সবাজার ও টেকনাফের বেশ কিছু পয়েন্ট দিয়ে বিদেশে মানবপাচার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।