বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলের ৭২ ঘণ্টার হরতালে নাশকতার আশঙ্কায় ঢাকায় দুই শিবিরকর্মীসহ খুলনা, চট্টগ্রাম,যশোর, হবিগঞ্জ, দিনাজপুর ও নোয়াখালীতে প্রায় ৩০০ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, গাজীপুরের শিববাড়ী বাসস্ট্যন্ডে দাড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দেয় অবরোধকারীরা। পরে ফায়ার সার্ভস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সকালে কালীগঞ্জে একটি পণ্যবাহী কাভার্ডভ্যানে আগুন দিয়েছে দুবৃর্ত্তরা।
যশোরের মনিরামপুর এলাকায় পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারার সময় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে লিটন ও ইউসুফ নামে দুই যুবদল কর্মী মারা গেছে। তারা মনিরামপুর উপজেলার বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মুসা গ্রুপের ক্যাডার বলে জানা গেছে।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দমকল অফিসের একটি গাড়িতে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে অবরোধকারীরা। এর একটু পরেই বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসেও আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে, হরতালে রাজধানীর জীবনযাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও সকালে মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এলাকায় একটি যাত্রিবাহী বাসে আগুন দেয় অবরোধকারীরা। এছাড়াও বিকেলে মিরপুরের গাবতলীতে আরও একটি বাসে হরতালসমর্থকরা আগুন ধরিয়ে দেয়।
হরতালে ঢাকার বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ড থেকে স্বল্প সংখ্যক দূরপাল্লার বাস চলাচল করছে। তবে স্বাভাবিক রয়েছে ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল।
টানা অবরোধ ও হরতাল প্রত্যাহারের দাবিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হয়েছে।
আন্দোলনের নামে সহিংসতা-নাশকতা বন্ধে ও হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিতে সমাবেশ করেছেন শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধারা।
এছাড়াও দেশব্যাপী পেট্রোল বোমা ছুড়ে মানুষ হত্যা আর সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে সিলেট মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, খুলনা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জামালপুর পেশাজীবী সংগঠন।