যশোরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বৃহস্পতিবার রাতে শহিদুল ইসলাম নামে এক জামাতকর্মী নিহত হয়েছেন।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক দেশ টিভিকে জানিয়েছেন, গতকাল রাত আড়াইটার দিকে যশোর-খুলনা মহাসড়কের রামনগর পিকনিক কর্নার এলাকায় একটি সাদা মাইক্রোবাসকে চ্যালেঞ্জ করে পুলিশের একটি দল। এ সময় মাইক্রোবাস থেকে পুলিশকে লক্ষ্য বোমা নিক্ষেপ ও গুলি ছোড়া হয়। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এসময় এক সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়।
আহত অবস্থায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে জানা যায়, নিহত শহিদুল ইসলাম সাতক্ষীরার কলারোয়ার একজন জামাত ক্যাডার।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে যশোর পুলিশের কাছ থেকে শহিদুল ইসলাম ও আবদুল মজিদ নামে দুই আসামি পালিয়ে যায়। বুধবার রাতে শার্শা থানার পুলিশ তাকেসহ ২ জনকে কায়বা গ্রাম থেকে আটক করেছিল। বিকালে তাদের যশোর আদালতে পাঠানোর সময় তারা শার্শা থানার পুলিশের কাছ থেকে যশোর-বেনাপোল সড়কের নতুনহাট এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলাও করা হয়েছিল।
ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, পুলিশের কাছ থেকে পালানো শহিদুল ইসলামই রাতের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ৫টি বোমা ও কয়েকটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত শহিদুল বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া থানায় হত্যা, নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৫টি মামলা রয়েছে।