বিএনপি-জামাতের হরতাল-অবরোধের কারণে আয় রোজগার কমে যাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন দৌলতদিয়া ঘাটের শ্রমিকেরা। যাত্রী না থাকায় বেচাকেনা হচ্ছে না ঘাটের দোকান-পাটগুলোতে। অবরোধের কারণে রোজগার না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন লালমনিরহাট ও পঞ্চগড়ের পরিবহন শ্রমিকেরা।
এদিকে, টানা অবরোধ আর হরতালের কারণে বন্ধ হতে বসেছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের শিল্প কারাখানাগুলো। এতে, বেকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন শ্রমিকেরা। অবিলম্বে হরতাল অবরোধের মত দেশ বিধ্বংসী কর্মসূচি প্রত্যাহারের দাবি শ্রমিকদের।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে প্রতিদিন ১৯ জেলায় প্রায় ৩ হাজার যানবাহন যাতায়াত করে। ঘাটকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে ওঠা প্রায় চারশ রেস্টুরেন্টসহ অসংখ্য দোকানপাটে কাজ করেন কমপক্ষে ১৫০০ শ্রমিক।
তবে আন্দোলনের নামে বিশ দলের টানা হরতাল-অবরোধের কারণে কমে গেছে যান চলাচল। এতে যাত্রীদের আনাগোনা না থাকায় শ্রমিকদের এখন পথের বসার উপক্রম। রোজগার করতে না পেরে দিশেহারা তারা।
অবরোধে দূর পাল্লার যানবাহন কম চলাচল করায় বেকার হয়ে পড়েছেন লালমনিরহাটের প্রায় ৪ হাজার পরিবহন শ্রমিক। সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
হরতাল-অবরোধের কারণে আয় কমে যাওয়ায় শোচনীয় দশা পঞ্চগড়ের পরিবহন শ্রমিকদেরও।
এছাড়াও টানা হরতাল-অবরোধের কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রায় ৫০০ কারখানার মধ্যে অর্ধেকই ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। বেকার হতে বসেছেন হাজার হাজার শ্রমিক।
আন্দোলনের নামে হরতাল-অবরোধ আর পেট্রোল বোমার মত নাশকতা থেকে মুক্তি চান শ্রমিক সমাজ।